ঢাকা   ১৪ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ । ২৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শিশুদের ঝগড়া থেকে বড়দের সংঘর্ষ, বসতবাড়িতে হামলা-ভাংচুর, আহত ৯ বিড়ম্বিত এক পিতার জীবন সংগ্রাম ​৬৫ বছর বয়সেও অবিচল, তবুও শান্তি অধরা। বিশ্লেষণ: নৈতিক অবক্ষয় ও নেতৃত্ব সংকটে চরম বিভাজিত জাতি শান্তিকামী পিতা-অপ্রাপ্তির পঁয়ষট্টি সাংবিধাদেশে অঙ্গীকারের বিপরীতে ভয়াবহ বাস্তবতা শুক্রবার থেকে কর্মবিরতি, মেট্রোরেলে যাত্রী সেবা বন্ধের ঘোষণা বিলাইছড়িতে কার্বারী সমিতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন নবযোগদানকৃত ইউএনও – হাসনাত জাহান খান বিলাইছড়িতে ইউনিয়ন পরিষদ, প্রেসক্লাব, কার্বারী সমিতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন ইউএনও – হাসনাত জাহান খান নড়াইলে ইসলামী আন্দোলনের গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত বিলাইছড়িতে একই জায়গায় দুটি ব্রীজ হলেও মিলছেনা সমাধান, স্থায়ী ব্রীজেই একমাত্র সমাধান 

ভাঙ্গা ব্রিজ পরিদর্শনে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার – আনন্দিত এলাকাবাসী।

Dainik Muktir Songbad
  • প্রকাশিত : সোমবার, ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৪
  • 144 শেয়ার

মো: ইলিয়াস শেখ, কুয়াকাটা প্রতিনিধিঃ

কলাপাড়া উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নে মম্বিপাড়া ও পৌরগোজা গ্রামের মাঝ দিয়ে বড়হরপাড়া খালের ওপর নির্মিত আয়রন ব্রিজটির (সাধুর ব্রিজ নামে পরিচিতি) রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি ) সকাল ১১.৩০ ঘটিকার সমায় মালবাহী ট্রাক পার হতে চাইলে ব্রিজটি সম্পূর্ণ ভেঙে খালের ভেতর পড়ে গেছে।আজ সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি ) সকাল ১১ টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন ভাঙ্গা ব্রিজটি পরিদর্শন করেন।
স্থানীয়দের দাবির মুখে তিনি আশ্বস্ত করে বলেন,কুয়াকাটা থেকে মিস্ত্রিপাড়া বৌদ্ধমন্দিরগামী জনগুরুত্বপূর্ণ মম্ভিপাড়া সাধুর ব্রীজটি ভেঙে পড়ায় সাময়িক অসুবিধার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। কুয়াকাটায় আগত পর্যটকদের যাতায়াতের স্বার্থে এবং আশেপাশে একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে এখানে একটি অস্থায়ী ব্রিজ নির্মাণ করে দেওয়া হবে। ভেঙ্গে যাওয়া ব্রিজের স্থানে একটি নতুন গার্ডার ব্রিজ নির্মাণের জন্য ইতোমধ্যে প্রস্তাব প্রেরণ করা হয়েছে এবং প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০০৫ সালে সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে। পুরনো এই ব্রিজ নড়বড়ে হয়ে পড়েছে প্রায় দুই বছর আগে। তবুও সংস্কার করা হয়নি। গত বছর হঠাৎ একদিন ব্রিজটি কিছু অংশ ভেঙে পড়ে। এই ব্রিজ দিয়ে প্রতিদিন লতাচাপলী ইউনিয়নের মম্বিপাড়া, নতুন বাজার, বড়য়ারপাড়া, পৈরঘোজাসহ ৫ থেকে ৭ গ্রামের মানুষ চলাচল করে। কুয়াকাটায় অগত পর্যটকরা মিশ্রিপারা বৌদ্ধ মন্দির দেখতে যাওয়ার একমাত্র সহজ পথ ছিল এটি। ৮০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১০ ফুট চওড়া ব্রিজের সম্পূর্ণ অংশ ভেঙে খালে পড়ে আছে।
এসময় তাঁর সাথে উপস্থিত ছিলেন কলাপাড়া উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সাদিকুর রহমান, ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (সিপিপি) লতাচাপলী ইউনিয়ন টিম লিডার মোঃ শফিকুল আলম, কুয়াকাটা বঙ্গবন্ধু মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ খলিলুর রহমান,কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী সাঈদ,সাংবাদিক হোসাই আমির।

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৪