ঢাকা   ১৯শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ । ৪ঠা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :

বেলা

প্রতিবেদকের নাম
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, জুন ২৫, ২০২৪
  • 7 শেয়ার

সাম্য শফিক

 

তোমার ওখানে ইলেকট্রিসিটি কেমন যাচ্ছে? যাচ্ছে না, বলো আসেনা। যেমন ভ্যাপসা গরম, তেমন খা খা রোদ্দুর। যেনো সেদ্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম। ঠিক বলেছো, আমার এখানেও যাচ্ছেতাই। অসহ্য, দিন নেই, রাত নেই লুকোচুরি চরম।

তো- কিভাবে কাটাও সারাদিন। কি আর। তালপাখা হাঁকিয়ে হাঁকিয়ে সহ্য করে থাকি সারাক্ষণ। আর রাতে?রাত হলে তবুও স্বস্তি। তখন তুমি কি করো? জামা-কাপড় রাখতে পারি না। কি করবো বলো শুনি। যে-ই না অন্ধকার, নিজ ঘরে একাকী। পর্দা সরিয়ে, জানালা খুলে দেই। চোখের চশমা, চুলের বিনুনি। বুকের আঁচল, লাজ-লজ্জা সব-ই।

ইশ্, কি উথাল পাথাল দয়া। যৌবনের রূপ লাবণ্য সর্বস্ব সবকিছু মূহুর্তে দিতে পারো অন্ধকারকে দক্ষিণা। আর এ সাম্য, একটু বাঁকা চোখে তাকালেই। একটু ছুঁয়ে দিলেই।কি ? এসব বলছো কি? সাম্য তার খিদের যন্ত্রণায় ছটফট করলেও। মিলে না এক ছিটেফোঁটাও।

হচ্ছেটা কি, মাথা থেকে এক্ষুনি পাগলামিটা হটাও ? ক্ষুধার্ত হরিণের মতো ঠোঁট ছুঁলেই, হয়ে যায় ছুৎ-ছুতো। থামবে, কি বলেছো তুমি? পুনর্জন্ম বলে যদি কিছু থাকে, তবে তোমার জন্য দশদিগন্তের অন্ধকার হবো আমি। আচ্ছা, ঠিক আছে। তাই হবে। টাকা থাকলে তোমার জন্য ঘর তুলে দিতাম হাওয়া খানার তীরে। –

উঁহু আর হয়েছে। থাক লাগবে না। এমন দরদ দেখানোর কারণ কি? খামোখা কারণ খুঁজতে গেলে তুমি। ভেবেছো গল্পের সেই শিয়াল মুরগী। সে আমি বুঝেছি, সেনাপতি থেকে সিপাই। সবাই তো গেছে গোল্লায়। কাকে বিশ্বাস করি।

পূর্ণিমার আলোকে, প্রকাশ্যে দিবালোকে, হরদম হচ্ছে চুরি। গোটা দেশটাই তো হয়ে গেছে সাকিন সারিসুরি।নইলে কি করে হয়, পনের লাখ টাকার কোরবানির খাসি।

ভালোবাসাও আজ হয়ে যাচ্ছে, ষড়যন্ত্রময়। কিসের আদলে কি? কোনটা মাংস আর কোনটা কস্তুরি।

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৪