ঢাকা   ১৩ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ । ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
আসন্ন ঈদ উপলক্ষে ময়মনসিংহ শিল্প পুলিশ শিল্পাঞ্চলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় বদ্ধপরিকর বিজিবির উত্তর-পশ্চিম রিজিয়ন আন্তঃব্যাটালিয়ন কারাতে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত নাগরপুরে অনুষ্ঠিত হলো বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্ট’২৪ বড়ইতলা নদীর উপর ব্রিজ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে পাট চাষি সমাবেশ-২০২৪ পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দেশ প্রিয় পত্রিকার চট্টগ্রাম বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান পাবনায় শিশু পরিবারের শিক্ষার মানোন্নয়ন ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতে করণীয় শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত এস এস সি পরীক্ষার্থী জিপিএ ৫ প্রাপ্তদের মধ্যে পনেরো হাজার টাকা বিতরণ মাদারীপুর জেলা শিবচরে খামারে আগুন, ১৩ গরু, সাড়ে ৩ হাজার মুরগি পুড়ে ছাই নীলফামারীতে যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

বঙ্গবন্ধুর যুগান্তকারী ৭ মার্চের ভাষণ ছিল বাঙালির স্বাধীনতার শপথ- তারেক শামস খান হিমু

প্রতিবেদকের নাম
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, মার্চ ৭, ২০২৪
  • 396 শেয়ার

কাজী মোস্তফা রুমি, বিশেষ প্রতিনিধি:

আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ। বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের এক অনন্য দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে (তদানীন্তন রেসকোর্স ময়দান) বিশাল জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দেন।

তাই আজকের এই দিনে বাঙালির ইতিহাসের মহানায়ক, স্বাধীন বাংলার স্থপতি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নেতা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে দক্ষিণ টাঙ্গাইলের আওয়ামী রাজনীতির উজ্জ্বল নক্ষত্র, নাগরপুর-দেলদুয়ারের গণমানুষের নেতা, ৯৬’র জনতার মঞ্চ আন্দোলনে রাজপথ কাঁপানো সাবেক তুখোড় ছাত্র ও যুবনেতা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ টাঙ্গাইল জেলা শাখার সংগ্রামী সহ-সভাপতি জননেতা তারেক শামস্ খান হিমু বলেন-
বঙ্গবন্ধুর যুগান্তকারী ৭ মার্চের ভাষণটি ছিল বাঙালির স্বাধীনতার শপথ। কারণ, ওই দিন ভাষণটি শোনার পর গোটা জাতি শপথ নেয় এবং দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে।

বঙ্গবন্ধু তার ভাষণে বলেছিলেন, ‘প্রতিটি ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলো, যার যা কিছু আছে, তা নিয়েই শক্রর মোকাবিলা করতে হবে। রাস্তাঘাট যা যা আছে…. আমি যদি তোমাদের হুকুম দিবার নাও পারি, তোমরা সব বন্ধ করে দিবে।’

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু তৎকালীন ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে এই ভাষণ দেন। ওই দিন সাড়ে ৭ কোটি মানুষ এই ভাষণ শুনে মুক্তিযুদ্ধের জন্য শপথ গ্রহণ করেন।

এই ভাষণের মাধ্যমে বাঙালি জাতি দল মত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলার স্বাধীনতার লাল সূর্য ছিনিয়ে এনেছে। বাঙালি জাতি পেয়েছে আত্মপরিচয় ও একটি স্বাধীন ভূখণ্ড। আর দেশ পেয়েছে লাল সবুজের পতাকা।

তাই আজকের এই ঐতিহাসিক দিনে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নেতা, স্বাধীন বাংলার স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা।

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৪