ঢাকা   ২১শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ । ৭ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হবে : আ.ন.ম শামসুল ইসলাম( সাবেক এম,পি)

প্রতিবেদকের নাম
  • প্রকাশিত : সোমবার, মার্চ ১১, ২০২৪
  • 15 শেয়ার

মুহাম্মদ হোসাইন মাসুম, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:

বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাবেক এমপি আ.ন.ম শামসুল ইসলাম বলেছেন, শ্রমিকদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য ন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এই লক্ষ্যে সংগঠনের কাজ তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে হবে। সকল সেক্টরে ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠন প্রতিষ্ঠা ও মজবুত ভিত্তির উপর দাঁড় করাতে হবে।

তিনি গতকাল বিকালে (রবিবার) ফেডারেশনের উদ্যোগে ভার্চুয়ালি আয়োজিত জেলা/মহানগরী সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান-এর সঞ্চালনায় এতে আরও উপস্থিত ছিলেন ফেডারেশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক হারুনুর রশিদ খান, লস্কর মো. তসলিম, কবির আহমদ, মুজিবুর রহমান ভূঁইয়া, সহ-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আলমগীর হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ আক্তারুজ্জামান প্রমুখ।

আ.ন.ম শামসুল ইসলাম বলেন, শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য মজবুত সংগঠনের বিকল্প নেই। সংগঠন মজবুতি নির্ভর করে তৃণমূল সংগঠনের উপর। তৃণমূল সংগঠন সক্রিয় থাকলে কেন্দ্র পর্যন্ত সংগঠন সক্রিয় থাকে। তৃণমূল সংগঠনের প্রাণ ইউনিট সংগঠন। এ জন্য ইউনিট সংগঠনকে গতিশীল করতে হবে। ইউনিটের কাক্সিক্ষত মান অর্জন করতে হবে। প্রতিটি ইউনিটে নতুন নতুন সদস্য যুক্ত করতে হবে। শ্রমজীবী মানুষকে যত বেশি সম্পৃক্ত হবে ইউনিট তত মজবুত হবে। ইউনিট সংগঠনের মজবুতির জন্য জনশক্তিদের সংগঠনের কাক্সিক্ষত মানে উন্নীত করতে হবে।

তিনি বলেন, শ্রমিক সংগঠনের প্রাণ ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠন। এখনো অনেক জেলা মহানগরীতে পর্যাপ্ত ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠন নেই। এসব জায়গায় ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। একই সাথে প্রতিটি জেলা-মহানগরী ও উপজেলা পর্যায়ে সকল সেক্টরের ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠন নিশ্চিত করতে হবে। ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলনের মাধ্যমে সংগঠনের লক্ষ্য উদ্দেশ্য পূরণ করতে হবে।

ইসলামী শ্রমনীতি প্রতিষ্ঠা ছাড়া শ্রমজীবী মানুষের মুক্তি নেই এ কথা আজ দিবালোকের মত স্পষ্ট। শ্রমজীবী মানুষরা মুক্তির প্রহর গুনছে। শ্রমজীবী মানুষের মুক্তি ত্বরান্বিত করতে সর্বপর্যায়ে সংগঠন প্রতিষ্ঠা ও আন্দোলন জোরদার করতে হবে। শ্রমজীবী মানুষের জীবন থেকে আঁধার মুছে দিয়ে তাদের জীবনের ভোরের আলো প্রস্ফুটিত করতে হবে। তাদেরকে অন্ধকারের গলি থেকে বের করে আনতে হবে।

শ্রমিকরা এদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ। তারা সুখে শান্তি না থাকলে দেশের উন্নয়ন ফলপ্রসূ হবে না। সুতরাং শ্রমজীবী মানুষের জীবনে সুখ-শান্তি আনয়নের জন্য রাষ্ট্রকে অগ্রণী ভ‚মিকা পালন করতে হবে। শ্রমিকদের ন্যায়সঙ্গত সকল অধিকার দিতে হবে। তাদের নাগরিক অধিকার বুঝিয়ে দিতে হবে। সমাজে শ্রমিকদের মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। এই কাজগুলো করার জন্য শ্রমিক নেতৃবৃন্দকে ভূমিকা রাখতে হবে।

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৪