ঢাকা   ১৩ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ । ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
আসন্ন ঈদ উপলক্ষে ময়মনসিংহ শিল্প পুলিশ শিল্পাঞ্চলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় বদ্ধপরিকর বিজিবির উত্তর-পশ্চিম রিজিয়ন আন্তঃব্যাটালিয়ন কারাতে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত নাগরপুরে অনুষ্ঠিত হলো বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্ট’২৪ বড়ইতলা নদীর উপর ব্রিজ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে পাট চাষি সমাবেশ-২০২৪ পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দেশ প্রিয় পত্রিকার চট্টগ্রাম বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান পাবনায় শিশু পরিবারের শিক্ষার মানোন্নয়ন ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতে করণীয় শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত এস এস সি পরীক্ষার্থী জিপিএ ৫ প্রাপ্তদের মধ্যে পনেরো হাজার টাকা বিতরণ মাদারীপুর জেলা শিবচরে খামারে আগুন, ১৩ গরু, সাড়ে ৩ হাজার মুরগি পুড়ে ছাই নীলফামারীতে যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

গ্রামের ঐতিহ্যবাহী বাৎসরিক শীতলা মাতার পুজো

প্রতিবেদকের নাম
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, মার্চ ১২, ২০২৪
  • 59 শেয়ার

সমরেশ রায়, কলকাতা প্রতিনিধি:

আজ ১২ই মার্চ মঙ্গলবার, জয় কৃষ্ণপুর পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায়, প্রতি বছরের ন্যায় জয় কৃষ্ণপুর গ্রামবাসীর উদ্যোগে, ঐতিহ্যবাহী শীতলা মাতার পুজো হয়ে থাকে, এই পুজো বংশ পরস্পরায় হয়ে আসছে রীতিনীতি মেনে, গ্রাম গঞ্জের থেকে নয় শহরতলি থেকেও পরিবারে লোকেরা ছুটে আসেন এই পুজো দেখার জন্য, এই ধরনের পূজো সচরাচর অন্যান্য গ্রামে দেখা যায় না বললেলেই হয়,‌ এই পূজোতে মায়ের সামনে পাঁঠা বলি দিয়ে মাকে উৎসর্গ করতে করেন।, এবং এর সাথে সাথে একটি বটগাছকে পুজো করে আরতির মধ্য দিয়ে পুজো শেষ হয়, সকল গ্রামবাসী এই পুজোয় মেতে উঠে সকাল থেকে রাত্রি পর্যন্ত।

এই শীতলা মা এতটাই জাগ্রত, প্রতিবছর মাকে বহু মানুষ মানত করে থাকেন, কেউ পাঠা ছাগল মানত করেন ,কেউ ছেলের ওজন অনুপাতে বাতাসা মানত করেন ,কেউ বা বাজি মানত করে থাকেন ভিন্ন রকমের এবং সেই মানত প্রতিবছর এই পুজোর দিন শোধ করতে ছুটে আসেন পরিবারের লোকেরা দূর দূরান্ত থেকে, আর কেউ কেউ বাবা-মায়ের স্মৃতির উদ্দেশ্যে এই মানত করে থাকেন, আজ এরকমই একটি দৃশ্য দেখা গেল, মায়ের কাছে বলি হওয়ার সাথে সাথে বাতাসায় ভড়িয়ে তুললেন ,হরিলুট করে মায়ের মন্দির এলাকা, পুজো শেষে প্রসাদ বিতরণে কাজ শুরু হয়,

এই পুজো আগের দিন রাত্রি থেকে জাগরণ শুরু হয়, বাজনা বাদ দিয়ে বাজিয়ে ও নাম গানের মধ্য দিয়ে মাকে জাগ্রত রাখেন, দিন সকাল থেকে বাজনা বাদ্যি সহ বেরিয়ে পড়েন সারা গ্রাম, মায়ের পুজোর ভোগের চাল আদায়ে, ফিরে আসার পর শুরু হয় মায়ের আসল পুজো। পুরোহিত মশাই তার মন্ত্র উচ্চারণের মধ্য দিয়ে মায়ের কাছে নিবেদন করেন।

এই পুজো গ্রামবাসীদের হলেও, বেশ কয়েকজন মোড়ল এর দায়িত্ব নেন। যাতে সুন্দরভাবে পুজোটা পরিচালনা করা যায়।, এবং সুষ্ঠুভাবে পুজোটি হয়, বাড়ির মধ্যে ছিলেন ,অশোক কুমার ঘোষ, বাবাই রায়, ভোলানাথ চক্রবর্তী, বাচ্চু ঘোষ, সোমনাথ রায়, শংকর চক্রবর্তী , বাচ্চু রায়, চন্ডী চরণ রায়, কল্যান হাজরা, অলীপ কুমার ঘোষ, তাপস খাঁ, গ্রামবাসীদের অন্যান্যরা সংক্ষিপ্ত বক্তৃতার মধ্য দিয়ে উদ্যোক্তারা জানালেন, সকলের সহযোগিতা ছাড়া এই শীতলা মায়ের পূজো সম্ভব নয়, সবার মতামত নিয়েই আমরা এই পুজো বংশ পরস্পরাই করে আসছি, আগে এতটা জাঁকজমক না হলেও আমরা চেষ্টা করছি ইদানিং মাকে আরো বড় করে করার, তাই সকল গ্রামবাসীদের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ আমাদেরকে এই দায়িত্ব দেওয়ার জন্য, এবং যে সকল পরিবারের লোকেরা আমাদের মাকে মানত শোধ করেন তাহাদের কেউ।

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৪